Uncategorized

সব ঠিক হয়ে যাবে-পর্ব 2

অরিত্র নম্বরটায় রিং ব্যাক করে ঠোঁট উল্টে রোদের দিকে তাকিয়ে বললো..
“sms পাঠিয়েই সুইচড অফ করে দিয়েছে.. নম্বরটা চিনিস তুই?”

এখন সেভাবেও গরম পড়েনি, তবুও রোদের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম ফুটে উঠেছে দুশচিন্তায়..কপালের ঘাম মুছতে মুছতে রোদ বললো
“না চিনি না …তবে কি আমায় কেউ stalk করছে ..আমাদের কি থানায় যাওয়া উচিত..আর ..”
রোদকে মাঝপথে থামিয়ে দিয়ে অরিত্র বললো
“ওসব পরে হবে আগে তুই পুরো ব্যাপারটা খুলে বল আমায় তানিয়া মজুমদারকে তুই কি ভাবে চিনিস? তোর সাথে ওর কি সম্পর্ক?”
” সে এক লম্বা ইতিহাস এখনই শুনবি ?” ভ্রু টা সামান্য কুঁচকে রোদ জিজ্ঞাসা করলো.
“হ্যাঁ এখনই শুনবো”- অরিত্রর গলায় উত্তেজনা
শোন্ তবে রোদ শুরু করলো ______________

15th সেপ্টেম্বর, 2007 দশ বছর আগে

রোদের গল্প

আজ এক সপ্তাহ হলো আমার বাইক এক্সিডেন্ট হযেছে ..
______________________________________________________________________________________________

[ক্রমশ]

সব ঠিক হয়ে যাবে-পর্ব ১

19th Feb 2017– সকাল সাড়ে আটটা

“আচ্ছা ফেসবুক-এ কাউকে unfriend করে দিলে; সে যদি কোনো ফোটোয় আগে লাইক করে থাকে; তাহলে কি সে সেই লাইক- টাকে আনলাইক করতে পারে?”

রোদ প্রশ্ন টা এক নিঃশ্বাসে ছুঁড়ে দিলো অরিত্রর দিকে..অরিত্র পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার.. ইতিহাসের প্রফেসর রোদ বসুর ছোটবেলার বন্ধু অরিত্র.. রোদের কদিন ধরে মনে হচ্ছিল ওর সাথে যা যা ঘটছে সেই নিয়ে অরিত্রর সাথে কথা বলা খুব দরকার. আজ রবিবার ছুটির দিন ..তাই দেরি না করে রোদ সকাল সকাল চলে এসেছে অরিত্রর বাড়ি..অরিত্র একটু সময় নিয়ে বললো 

“হুম আনলাইক করতেই পারে যদি ফটোটা পাবলিক-এ থাকে” ….

“না না আমার সব ফটোগুলো তো শেয়ার উইথ ফ্রেন্ডস -এ ছিলো তবুও দেখি ওর সব লাইক ও তুলে নিয়েছে; এটা কি করে সম্ভব?”

এই প্রশ্ন টা করার সময় রোদের গলাটা অল্প অল্প কাঁপছিলো..অরিত্র বেশ বুঝতে পারছিলো বিষয় টা সিরিয়াস ..তবুও মুখে কিছু হয়নি ভাব রেখে বললো 

“দেখ তুই ভাবছিস আনফ্রেন্ড করে দেওয়ার পরেও কি করে কেউ তোর ফটো থেকে লাইক তুলতে পারে স্পেশালি তুই যখন ফটোটা ফ্রেন্ড এ রেখেছিস .. কিন্তু ব্যাপারটা অন্যরকমও তো হতে পারে.. ধর, যে লাইক করেছিলো সে তার প্রোফাইল ডিএক্টিভেট করে দিয়েছে তাই তুই দেখছিস লাইক টা নেই .”

..”আরে না সেরকম কিছু হলে কি আমি এতো চিন্তা করতাম… ওর প্রোফাইল আছে আমি চেক করেছি.. আমার তো মনে হয় ও আমার ফেসবুক হ্যাক করেছে..শুধু ফেসবুক না পুরো কম্পিউটার ..সব কিছু হ্যাক করেছে আর চুপিচুপি আমার সব অনলাইন এক্টিভিটি ফলো করছে…আর ..”

রোদকে মাঝপথে থামিয়ে অরিত্র বললো “এটা তো তোর অনুমান, কোনো প্রমান আছে তোর কাছে ?”

“হ্যাঁ পরশু আমি একটা ছোট্ট কবিতা লিখে সেভ করে রেখেছিলাম ওয়ার্ড এ কাল দেখি সেটাও ওর timeline এ লিখেছে.. হুবুহু সব কিছু এক…এই দেখ” বলে রোদ ওর ল্যাপটপ টা এগিয়ে দিলো অরিত্রর দিকে…….

রোদ খুব সুন্দর লেখে অরিত্র জানে; রোদ লিখেছে —

” প্রিয় নদী

এক বিকেলে জানলা দিয়ে দেখে তোমায় আমি ভালোবেসেছি / তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করোনি ….. আমিও আর ফিরে যায়নি কখনো / শুধু তোমার ভেতর থেকে কিছু জীবন্ত মুহূর্ত আমি নিজের করে নিয়েছি,,.. ভালো থেকো…

ইতি

একটি ভবঘুরে মন”

লেখাটা পরে অরিত্র রোদের দিকে তাকালো..

“এবার এটা দেখ” বলে রোদ ওর ফোনটা এগিয়ে দিলো অরিত্র দেখলো একটা ফেসবুক প্রোফাইল খোলা.. হুবুহু same লেখা জ্বলজ্বল করছে এই প্রোফাইল-এর timeline -এ..ডেট দেখলো অরিত্র কালকের ডেট..

“প্রোফাইলটা কার ?” বলেই প্রোফাইল-এর নামের দিকে চোখ গেলো তার… অরিত্রর মুখ হাঁ হয়ে গেলো.. উত্তেজনায় চিৎকার করে বললো

” তানিয়া মজুমদার , হিন্দি  সিরিয়াল-এর এক নম্বর নায়িকা তোর প্রোফাইল হ্যাক করেছে? তোর লেখা কপি করেছে? তুই চিনিস ওকে..?”

রোদ কিছু বলতে যাচ্ছিলো ঠিক তখনি একটা unknown নম্বর থেকে sms টা এলো. sms টা খুলেই রোদের সমস্ত রোমকূপ খাঁড়া হয়ে উঠলো ওর মনে হলো ও হাওয়ায় ভাসছে !! ওর শরীরে কোনো জোর নেই .. কোনো রকমে ফোনটা ও অরিত্রর হাতে দিলো ..অরিত্র দেখলো sms এ লেখা আছে

“সব ঠিক হয়ে যাবে “

_____________________________________________

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

এক পশলা মন কেমন

বৃষ্টি  তুমি  আসবে  বলে  /স্বপ্ন  দেখি  দু -চোখ  ভরে
দিন -দুপুরে  কাজের  ভিরে  /যদি  শুনতে না পাই  RING-TONE
“বর্ষা  কালে  বৃষ্টি  হবেই”  ভেবে ,  তোমায়  যদি  সরিয়ে  রাখি  অনেক  দুরে
যেন  তুমি  ,আমি  ভালো  নেই  …ভীষন  খারাপ  আমার  মন …

blogCopyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

হঠাত করে ইচ্ছে হলো

Life izz not all about তোমায় পাওয়া ..
Life izz not all about হারিয়ে যাওয়া ……
Lyf iz not all about স্বপ্ন ভরা দু – চোখে ঘুম না আসা
কিম্বা হেরে গিয়েও কান্না চোখে হাসতে শেখা…..
………………………………………..
জীবন হলো দিনের শেষে এক পশলা বৃষ্টির ঝাট
বিকেল বেলা ফুচকার সাথে জমিয়ে পাপড়ি চাট……
কলেজ কেটে সিনেমা দেখে মিথ্যে কথার ভিড়ে
Bollywood _কেও frustu দেওয়া acting skill_e ****
আরে পাগলা তুই তো born artist বলে উঠবে কেউ
জীবন মানে আমার কাছে ব্যাস এইটুকুই ……. 🙂

___________________________________________
**** কবিতায় গরু গাছে ওঠে 😛 😛 ..So, no offense..

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

আপ লোডিং লাইফ ……… #unedited #candid

আমি  যখন  এই  ব্লগ-টা  খুলেছিলাম  ভেবেছিলাম  রোজ  কিছু  না  কিছু  লিখব  কিন্তু  সেটা  হয়ে  ওঠে  নি …. যারা বলে যদি কেউ কিছুকে  সত্যি সত্যি  ভালবাসে তাহলে তার জন্য ঠিক সময় বের করে নেয় ….তারা মিথ্যে বলে……… আমি সব থেকে বেশি লিখতে ভালবাসি.. যখন ছোট ছিলাম ঠিক করে রিডিং পরতেও শিখিনি ; আমায় কেউ জিজ্ঞেস করলে আমি বলতাম আমি বড় হয়ে  রাইটার হব ……. তখন থেকেই আমি যেখানে যেতাম… যা কিছু দেখতাম বা শুনতাম.. আমার চারপাশের মানুষজন তাদের হাসি কান্না ভালোলাগা সবকিছুর মধ্যেই আমি স্বপ্ন খুজতাম… এখনো খুঁজি .. যাতে সব এলোমেলো স্বপ্ন গুলো কে আমি সাজিয়ে রাখতে পারি আমার মনের  খাতায়……..
কিন্তু এখন আমি লিখি যখন খুব বোর হই  বা যখন  মাঝরাতে ঘুম  আসে  না .. কিম্বা  হটাত  করে  বৃষ্টি  দেখে  মনকেমন  করলে ….

……………………………………………………………………………………
আজকের  এই  লেখাটার  কোনো  মানে  নেই … সব  কিছুর  যে  মানে  থাকতে  হবে  তার  কোনো  মানেও  নেই …….
জীবন   তো  অনেকটা  ফটো  তোলার  মতো  ..পারফেক্ট  মোমেন্ট  গুলোকে  ধরে  রাখতে  গিয়ে  কতো হাজার  হাজার  মুহূর্ত  মিস  হয়ে  যায় …তবুও  আফসোস  করতে  নেই ….বেস্ট  পিকচারটা filter করে  upload করার  নামই  বোধহয়  লাইফ ………..  😀 😀

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

ভিজতে আমি রাজি

PicsArt_1427658106563

দুটো কথা বলতে গিয়ে বাড়তি কিছু কথার ভিড়ে
শোনা হয়নি  যেসব হাজার হাজার কথা …
আজকে সেসব নাইবা হলো নতুন করে শোনা
Backdated খুব পুরনো গন্ধে মোড়া গল্পগুলো
দিনের শেষে রাতের দেশে যদি বৃষ্টি সেজে নামে…
তুমি কি “ভিজতে আমি রাজি ” বলে বন্ধ করবে ছাতা ?

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

Will miss you Orkut!!! :(

আচ্ছা এমন কেনো হয়? যখন কিছু হারিয়ে যায় আমদের জীবন থেকে আমরা সেটাকে ধরে রাখতে চাই …এই যেমন আজ আমার হটাত করে মনে পড়ল আর 5minit পর অর্কুট চির জীবনের মত হারিয়ে যাবে  …  ভেবেছিলাম একটা স্ক্রাপ লিখব শেষ বারের মত …. তাড়াতারি orkut_e. ঢুকতে গিয়ে দেখি এখানেও লেট করে ফেলেছি আমি ..আমার প্রথম ভার্চুয়াল world_e তৈরী করা ঘরটা আর নেই … আমার  হারিয়ে যাওয়া গুচ্ছ গুচ্ছ স্ক্রাপ গুলোয় লুকিয়ে ছিল কত গল্প .. .ভীষণ বাজে ক্যামেরায় তোলা আমার প্রথম profile picture.. আমার প্রথম লেখা স্ক্রাপ সব কিছু হারিয়ে গেল ……ভেবেছিলাম আমি চাইলেই ফিরে যাব পুরনো গল্পে .. পুরনো গন্ধে আর পুরনো স্ক্রাপ _এর আড্ডায় .. …. কিন্তু ………

আজ আমার মন খারাপ ..হ্যা হ্যা আমি জানি আমার আর ফিরে যাওয়া হয় নি orkut_e 2011_এর পর থেকে …হয়ত আর কখনো যেতাম না সেখানে …. তাই আজ বোধহয় মন খারাপ করাও পাপ ….. Sorry orkut! আমার লাস্ট স্ক্রাপ টা আর লেখা হলো না তোমাকে …. Will miss u! 🙁

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

গল্প : হইচই ফ্যান ক্লাব

আমার বৃষ্টি খুব ভালো লাগে ……যখন বাড়িতে থাকি বৃষ্টি পড়লেই আমি ব্যালকনিতে এসে দাঁড়াই …এলোমেলো হাওয়া একঝাক বৃষ্টি এনে আমায় ভিজিয়ে দেয় ….আর বৃষ্টির গন্ধর সাথে কি করে যেন আমার ছোটবেলা মিশে আছে …ছোট বেলায় বৃষ্টি পড়লে আমার খুব মজা হত …বিশেষ করে যেদিন tuition-এ exam থাকত সেদিনগুলোয় বৃষ্টি হলে কি যে মজা হত ভাবলে এখনো মন ভালো হয়ে যায় …কিন্তু আজ আমার বৃষ্টিটাকে ভীষণ অসহ্য মনে হছে ,..জিন্স-এর প্যান্টটা হাঁটু অবধি গুটিয়ে,.ছাতা মাথায় আমার ঝাপসা হয়ে যাওয়া পাড়ার মধ্যে দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে নিজেকে কেমন যেন একটা ভুতের গল্পের নায়িকা বলে মনে হছে …ধুর! …সবে সকাল ১০ টা বাজে কে বলবে মনে হচ্ছে যেন এই বুঝি ঝুপ করে সন্ধে নামবে …এত চুপচাপ শান্ত-শিষ্ট এই পাড়াটা আমার অচেনা …সব হয়েছে এই বৃষ্টির জন্য.. দু সপ্তাহ ধরে এক নাগাড়ে বৃষ্টি হয়ে চলেছে থামার কোনো ইচ্ছেই নেই ..কোনো ক্রমে জল চিরে চিরে বাস স্টপে এলাম …তাও প্রায় ১০ মিনিট হয়ে গেল …..একা দাঁড়িয়ে আছি এখনো একটা কিছু পেলাম না ……হঠাৎ দেখি ছেলেটা আসছে আমার ঝাপসা হয়ে যাওয়া পাড়ার রাস্তা দিয়ে ……ছেলেটা সামনে এলেই আমি কেমন যেন ক্যাবলা হয়ে যাই ..কোনো কথা বলতে পারি না …বুকের মধ্যে কেমন একটা অদ্ভুত feelings হয় … এই আমার তখন নিজেকে ভীষণ অচেনা লাগে ..আমার ভেতর থেকে কে যেন জোরে জোরে শাঁখ বাজায় …বাইরে থেকে শোনা যায় কি ?? না বোধহয় …..ও এসে এখন আমার পাশে দাঁড়িয়েছে …এমন ভাব করছে যেন ও আমায় চেনেই না ….কোনো দিন দেখেই নি …কে বলবে এই ছেলেটাই আমার নাম একটা social networking site এ fan club খুলেছে …..
অবশ্য আমিও ওকে না চেনার ভান করে দাড়িয়ে আছি ..আচ্ছা ওকি জন্ম থেকেই ক্যাবলা নাকি আমায় দেখলে ক্যাবলা হয়ে যায় …..humme tumme kuch to hai kuch nahi hai kya..এই গানটা আবার কোথা থেকে ভেসে আসছে ….ওহ আমার মোবাইল ..পকেট থেকে ফোনটা বার করে দেখি রিনি কলিং …হ্যালো …
হ্যা কোথায় তুই আসবি না …
হ্যা রে আসছি রাস্তায় দাড়িয়ে আছি কিছু পাচ্ছি না ..আর কে কে এসেছে..?
কেউ না আমি একা, তাড়াতাড়ি আয় …
হমমম আসছি ….এই শোন আমার ফোন জলে ভিজে যাচ্ছে …তোর্ সাথে পরে কথা বলছি bye

একটা বাস আসছে …উঠব না অটোর জন্য wait করব ভাবছি ..হঠাৎ দেখি বাসটা আমার সামনে এসে থেমে গেল ভেতর থেকে তিন্নি চিত্কার করছে এই চিনি উঠে আয় …আমি ছাতা বন্ধ করে বাসএ উঠে পড়লাম .. পেছনের সিটে বসে এক বার পিছনে ফিরলাম দেখি ছেলেটা এক দৃষ্টিতে বাসটার দিকে তাকিয়ে আছে ………….

 

ক্রমশ (to be continued…) …….

Copyright ©ANNAPURNA CHAKRABORTY, All Rights Reserved

চাঁদেও তো দাগ আছে

আচ্ছা আর কার কার আমার মত মেলায় গিয়ে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে ? না না আমি কখনো কোথাও হারিয়ে যায়নি.. অনেক না পাওয়ার ভীড়ে আমার এই হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছেটাও হারিয়ে গেছে … ও বলতে ভুলে গেছি আজ আমি কেন হঠাত মেলা নিয়ে লিখছি.. আমাদের পাড়ায় রোজ এইসময় মেলা হয় … এবারেও হচ্ছে.. বাড়ির পাশে মেলা, সেখানে রোজ বিকেলে নিয়ম করে না গেলে নিজেকে কেমন অপরাধী মনে হয় … তাই রোজ যাই  চিকেন রোল, পাপড়ি চাট , ফুচকা ,ঘুগনি, আর আইস ক্রিম খেতে… পাড়ার সবাই যখন দেখায়  তারা আশ্চর্য সব জিনিস কিনেছে এই মেলা থেকে.. নিজের উপর খুব রাগ হয় আচ্ছা আমি কি অন্ধ.. কখনো কি ফুচকা, চিকেন রোল থেকে চোখ তুলে তাকাতে পারব না .. এত বছরে একটা আশ্চর্য কিছু চোখে পড়ল না আমার কেনার মত… কিন্তু এবার মেলায় গিয়ে দিদির একটা গাছ টাইপের দেখতে শো-পিস পছন্দ হয়.. এইটা ওই আশ্চর্য টাইপের কাছাকাছি কিছু একটা  ভেবে খুব বার্গেনিং শুরু করি (কারণ ওটা রিচুয়াল) দোকানদারের সাথে .. ১৬০ এর জিনিস ১২০ তে নামাই..জিনিস টা  প্যাক করতে করতে দোকানদার এক গাল হেসে  বলে, “খুব ভালো জিনিস পেয়ে গেলেন  এত কম দামে..সারা জীবনেও এই জিনিসের কিছু হবে না ” .এক রাশ ভালোলাগা নিয়ে বাড়িতে এসে দেখি জিনিসটা থার্মোকলের আর পেছন টা অল্প ভাঙ্গা… এ মা.. তখন যে অত করে দেখলাম চোখে পড়ল না তো.. সবাই বলল খুব ঠকে গেছি …IMG_20140604_215920খুউব সাবধানে রাখতে হছে আমার এত দিনের অপেক্ষার পর পাওয়া আশ্চয জিনিসটাকে ..তাতে কি? কেউ ঠিকই বলিছিল “চাঁদেও তো দাগ আছে”…